শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় এক ইউপি সদস্যের বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। এ সময় সন্ত্রাসীরা শতাধিক বোমার বিস্ফোরন ঘটায়। এতে ৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় দু পক্ষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে জাজিরা থানা পুৃলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের
বুদাইরহাট এলাকায়।
ইউপি সদস্যের বোন রোকসানা আক্তার ও জাজিরা থানা সুত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বেপারী ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সে দ্বদ্বের জের ধরে আজ রোববার সকালে ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপিসদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন বেপারীর বাড়ীতে হামলা চালায়। এ সময় হামলা কারীরা ভবনের দরজা জানালার কাচ ভেংগে ভিতরে গিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা শতাধিক বোমার বিস্ফোরন ঘটিয়ে চরম আতংক সৃষ্টি করে। তাদের বোমার আঘাতে সালাউদ্দিন বেপারী (৫০), সুমি বেগম (৪০), নাজিম (১২)সহ ৫ জন আহত হয়। আহতেদের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় বাড়ীতে থাকা লোকজন জাজিরা থানায় ফোন দিলে ও কেউ রিসিভ করেনি। পরে তারা ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ আসে। এ ঘটনার সংগে জড়িত থাকার অভিযোগে কামাল খান (৪৫) ও আলীউজ্ঝামান (৪০) কে আটক করেছে জাজিরা থানা পুলিশ।
আহত সালাউদ্দিন বেপারীর স্ত্রী সুমি আক্তার বলেন, বর্তমান চেয়্যারমান কুদ্দুস বেপারীর লোকজন মুন্তা, তাজুল ইসলাম, সাব্বির সৈয়াল গংরা ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী আজ সকালে আমাদের বাড়ীতে বোমা হামলা করে। আমাদের বাড়ীর কাচ ভাংচুর করেছে। এত তারা শতাধিক বোমার বিস্ফোরন ঘটায়। পরে আমরা ৯৯৯ ফোন করে পুলিশ আনাই ।
মুন্তা মিয়া ও তাজুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন, দু পক্ষ আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘ দিন ধওে বিরোধ চলে আসছে আজকে এক মেম্বারের বাড়ী তে হামলা করে । এ সময় তারা বেশ কিছু ককটেলের বিস্ফোন ঘটায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা দু জন কে আটক করেছি। এখন ও কেউ মামলা দায়ের করেনি। মামলা হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।