শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ শরীয়তপুরে-২ আসনের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর পাইলট মোড়ে ফেইস বুকে না ভোটের স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামাত প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে শাহ আলম,মিজানুর রহমান, জাকির সিকদার, ওবয়দুল্লাহ , কাজী নজরুল এবং বিএনপরি আহত ব্যক্তিরা হলনে সবুজ মাদবর,নাসির খান, মিজানুর সিকদার সহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদরে নড়িয়া উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভোজশ্বের পুলশি ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদরে সামনইে এই সংর্ঘষরে ঘটনা ঘটেছে। জামাত-বিএনপ’ির এ সংর্ঘষকে কন্দ্রে করে শরীয়তপুর-২ নড়িয়া-সখপিুর আসনরে ভোটারদরে মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে । শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জামাতের এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একপক্ষ অন্যপক্ষকে দোসারোপ করে বক্তব্য দিচ্ছেন। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। এ দিকে জামাত ইসলামী শরীয়তপুরে এ ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন।
জামাত ইসলামী নায়েবে আমীর বলেন, আজ মঙ্গল বার দুপুরে নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ^র ইউনিয়নের জেলে পাড়া এলাকায় জামাত কর্মীরা নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা শেষে বর্ণতরী প্রিট্রিং প্রেসের সামনে একটি ছাপাখায় বিশ্রাম নিচ্ছিল । এ সময় -বিএনপ’ির সমর্থকরা গনভোটে হ্যাঁ না কে কেন্দ্র করে দু গ্রæপের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা সংর্ঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে
এ ব্যাপারে শরীয়তপুর-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সফিকুর রহমান কিরণ বলেন, একজন নারীর ফেইনবুকে না ভোটের স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জামাত প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে আমাদেও বিএনপির নেতা কর্মীদেও উপর অতর্কিত হামলা করে নেতা কর্মীদেরকে আহত করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।