শরীয়তপুরে প্রাইভেটকার খাদে পড়ে বাবা-মেয়ের মুত্যু

শরীয়তপুরে প্রাইভেটকার খাদে পড়ে বাবা-মেয়ের মুত্যু


শীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা রাজনগরের জামতলা নামকস্থানে প্রাইভেটকার খাদে পড়ে এক আইনজীবী ও তার শিশুকন্যা নিহত হয়েছেন। এসময় গাড়িতে থাকা তিনজন আহত হন।শনিবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাসানচর গ্রামের অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক রাশেদ (৩৮) ও তার ছোট মেয়ে মাইসা আক্তার (২)।এ ঘটনায় আহতরা হয়েছেন নিহত রাশেদের স্ত্রী সোহানা আক্তার মিলি (২৬), বড় মেয়ে মেবিন (৬) ও প্রাইভেটকারচালক কামরুল হাসান (২৭)। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতদের পরিবার সূত্র জানায়, গত ২৭ অক্টোবর ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার নিয়ে শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাসানচর গ্রামের অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক রাশেদ (৩৮) স্বপরিবারে কক্সবাজার ঘুরতে যান রাশেদ । শনিবার রাতে বাড়িতে ফেরার সময় নড়িয়া উপজেলার জামতলা এলাকায় শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারটি পাশের খাদে পড়ে উল্টে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহতদের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাশেদুল হক ও তার মেয়ে মাইসাকে মৃত ঘোষণা করেন। রোববার বাদ জোহর শরীয়তপুর জেলা আইনজীবি সমিতির সামনে তার প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাযা বাদ আসর গ্রামের বাড়ি আংগারিয়া ভাষানচর হয়। এর পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।জেলা আইনজীবি সমিতি তার মৃত্যুতে শোক পালন করে কোর্ট থেকে বিরত থাকে।
প্রাইভেটকারচালক কামরুল হাসান বলেন, কক্সবাজার থেকে শনিবার রাত ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরা আসি। কক্সবাজার থেকে উত্তরা পর্যন্ত আমি ড্রাইভ করি। পরে সেখান থেকে রাশেদ স্যার ড্রাইভিং করেন। স্যার কে অনেক অনুরোধ করেছি আপনার ড্রাইভিং করার দরকার নেই। তিনি ড্রাইভিং করায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি আরও বলেন পরে আমি গাড়ির গøাস ভেঙে বের হয়ে এক এক করে অন্যদের বের করি।
নড়িরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

Leave a Reply