শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার পর ভাইসচেয়ারম্যান তালা প্রতিকের সমর্থক জাহিদ ফকির ও ঘোড়া সমর্থক জামাল গ্রুপের মধ্যে ১০রশি গ্রামে মারামারি ও উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। কিন্তু পুলিশ ভুল তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনার জন্য তুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভাইসচেয়ারম্যান চশমা প্রতিকের সমর্থক মাহবুব মোর্শেদ টিপু মাদবরের উপর দায় চাপায় এবং ঐদিন রাত ১০টায় পুলিশ টিপু’র বাড়ীঘর ঘেরাও করে এবং ভাংচুর করে । এ সময় পুলিশ টিপুর ভাই ইলিয়াস মাদবর ও বাদুল নামক এক নিরীহ দলিল লেখক কে ধরে নিয়ে যায়। পুলিশের একতরফা আচরণে এলাকার মানুস হতাশ হয়ে পরে। বুধবার বিকেলে এমপির অসুপারিশে পওে তাদেরকে ছেড়ে দেয়।
ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১২টায় ( যখন মানুষ গভীর ঘুমে তখন) তিন দিক থেকে একযোগে আক্রমণ করে টিপু মাদবরের বাড়ীর দিকে আসতে থাকে সন্ত্রাসী গ্রæপ। এসময় জাহিদফকির,- পৌর কাউন্সিলর ফরিদ সেক ও মাহাবুব মৃধা এবং বিনোদপুরের লিটন মুন্সীর নেতৃত্বে প্রায় ৭-৮ শত লোক ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলি করতে করতে টিপুর বাড়ীর দিকে আগাতে থাকে। এসময় অনেকে ৯৯৯ এ কল দেয়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি না দেখে গ্রামের সাধারন মানুষ মৃত্যুর ভয় উপেক্ষা করে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। প্রতিরোধের মুখে টিকতে না পেরে আক্রমণকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। যাওয়ার পথে রাস্তার পাশের অনেক গুলো ঘরবাড়ী কুপিয়ে লুটপাট করে ।এ সময় প্রতিরোধের মুখে পড়ে বহিরাগত আক্রমণকারীদের কয়েকজনের আহত হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নরনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান গতরাতে জাহিদ ফকিরের বাড়ীতে যায় এবং তাদের সাথে কথা বলেন। পরে ইউনিয়নের কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখে পুলিশকে কিছু নির্দেশনা দেন। ঐ এলাকায় এখন ও এক ভুতুড়ি অবস্থা বিরাজ করছে। গত বুধবার গভীর রাতে ও কাউন্সিলর ফরিদ সেক এর নিয়ন্ত্রিত দিঘীর পারে বোমার শব্দ শোনা গেছে। ঐ এলাকায় শান্তি রক্ষার জন্য এখনো পুলিশ টহল চলছে।