বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক বরাবরে ভেদরগঞ্জ দলিল লিখক সমিতির অনুরোধ
দলিল লিখক ভাইদের সম্মানীভাতা, বেতন, ঈদ বেনাস সরকার গৃহীত করে দলিল লিখক ভাইদের মধ্যে
শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও হয়রানী রোধে সুপারিশ করা হয়েছে । এ সকল সুপারিশের মধ্যে ১।প্রতিমাসে যে কোন হারে সম্মানীভাতা প্রদান করিতে হবে। ২।প্রতিবছর দুইবার ঈদ বোনাস দিতে হবে। ৩।প্রত্যেক দলিল লিখকের নিবন্ধিত লাইসেন্স এর স্বপক্ষে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে। ৪।জনসাধারন হতে সরকারী সকল ফি এর সহিত উল্লেখিত লেখকের ব্যাংক একাউন্টে দলিল লখার পারিশ্রমিক বাবদ ১-৫ লক্ষ টাকা মূল্যের দলিলে প্রদর্শিত মূল্যের ২% হারে, ৬-১০ লক্ষ টাকা মূল্যের দলিলে ১% হারে ও ১০ লক্ষ টাকার তদুর্ধে ০.৫০% হাওে জমা করার আদেশ ি দতে হবে। ৫।জনসাধারন হতে কোন প্রকার নগদ টাকার লেনদেন করা হবেনা।
৬।রেজিষ্ট্রি ক্ষেত্রে জমি বিক্রেতা অর্থাৎ দলিলের দাতা তাহার নিজ নামে রেকর্ড অথবা সর্বশেষ নামজারী খতিয়ান, পিতা-মাতা ও দাদা-দাদী এবং নানা-নানীর ওয়ারিশ সুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদ পত্র প্রদর্শন পূর্বক ও খাজনাদী পরিশোধ ক্রমে দাখিলা সংগ্রহ করতঃ দলিল সম্পাদন করবে। ২৫ বৎসরের ধারা বাহিকতা সম্ভব হলে উল্লেখ থাকবে. তাতে জনসাধারনের ভোগান্তি কম হবে। ৭।উক্ত ৬ নং কলামে উল্লেখিত কাগজপত্রের বাহিরে অন্য কোন কাগজ পত্রাদিতে ত্রæটি বিচ্যুতি থাকলে যাহা আদালতের সরণাপন্ন হতে হয়, যাহা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা সাব-রেজিষ্ট্রার এর আওতাধীন না হওয়ায় উক্ত ৬ নং দফায় উল্লেখিত কাগজপত্র রেজিষ্ট্রি কার্য সম্পাদনের জন্য চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ৮।দলিল লিখক গণের অবসর সীমা ৭০ (সত্তুর) বৎসর নির্ধারন করতঃ ও অবসর কালীন এবং অকাল মৃত্যু জনিত কারনে এককালীন অবসর ভাতা প্রদান করার ব্যবস্থা গহণ করতে হবে। যেহেতু দলিল লিখক গন সরকারী বড় রাজস্ব আদায়ের একটি মাধ্যম।
ভেদরগঞ্জ দলিল লিখক সমিতির সভাপতি আঃ জব্বার রাঢি বলেন, দলিল লিখক ভাইয়েরা দীর্ঘদিন যাবৎ দাবী-দাওয়া করিয়া ও বিগত দিনে কোন ও সরকাররের নিকট ইহার কোনরূপ প্রতিকার পায়নি। উক্ত সমস্যা গুলো সমাধান হলে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর একাংশ দলিল লিখকগনের দীর্ঘদিনের দাবী বাস্তবায়ন সহ রেজিষ্ট্রি সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে বলে আমি বিশ^াস করি।