শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশন চালু হয়েছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে চালু হয়েছে এই সেবা। এর আগে সিজারিয়ান প্রয়োজন হলে প্রসূতিদের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হতো। এতেনকরে অর্থব্যয়ের পাশাপাশি নানা ভোগান্তির শিকার হতো এলাকাবাসি।
রোববার বিকেলে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথমবারের মতো সিজারিয়ান করা হয়। প্রথমত জাজিরা পৌরসভার ফকির মাহমুদ আকনকান্দি গ্রামের মো. খলিল ব্যাপারীর স্ত্রী শ্রাবনী আক্তার (৩০) সিজারিয়ানের মাধ্যমে এক কন্যা সন্তনের জন্ম দেন। মা ও শিশু সুস্থ্য আছে বলে জানা গেছে।সিজারিয়ান অপারেশনে প্রধান সার্জন হিসেবে অংশ নেয় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়লা নাজনিন, অ্যানেস্থেসিস্ট ডা. সালাউদ্দিন আহম্মেদ সহ অন্যান্য কর্মীরা।
এ ব্যাপারে ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, মানুষের দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে চালু হয়েছে এই সেবা। আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই আমার টিমকে। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে নানা সীমাবদ্ধতার মাঝে ও সিজারিয়ান সেকশন চালু করা সম্ভব হলো। কার্যক্রমটি সফল ভাবে ধরে রাখার জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন ।