জাজিরায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ ১জনের মৃত্যু

জাজিরায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ ১জনের মৃত্যু


শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ ককটেল বিস্ফোরণে ফিরোজ সরদার (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে । শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়। ফিরোজ উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া কাচারিকান্দি এলাকার খালেক সরদারের ছেলে। তিনি ঢাকায় ফল ব্যবসা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে জাজিরা উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া কাচারি কান্দি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সেনেরচর ইউনিয়নের প্রভাবশালী সাদেক সরদার,সাবেক ইউপি সদস্য বাদশা সরদার গ্রুপের সঙ্গে খবির সরদার , বর্তমান ইউপি সদস্য দেলোয়ার সরদার গ্রুপের বিরোধ চলে আসছিল । এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে । এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় ২০টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ সময় উভয়পক্ষের সমর্থকরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। একপর্যায়ে জাজিরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় টেঁটাবিদ্ধ হয় হাবিব সরদার (৪৩) ও রফিক সরদার (৪৫)। এ ঘটনায় ককটেল বিস্ফোরণে আহত হয় ফিরোজ। এছাড়া আরও অন্তত ৭জন আহত হয়। আহতদের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফিরোজ মারা যায়। ফিরোজ সাদেক ও বাদশা পক্ষের লোক।
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাজিম উদ্দীন বলেন, ফিরোজ সরদারকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরন করা হয়। ঢাকা রওনা হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষে ফিরোজ সরদার নামের এক যুবক মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

Leave a Reply