ছাত্রলীগ নেতাদের জখমের ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভ
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর ও সরকারি এমএ রেজা ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের তিন নেতাকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ।রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে
ভেদরগঞ্জ হেড কোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের সামনে থেকে বিক্ষোভ বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় ছাত্রলীগের তিন নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রæত গ্রেফতারের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
ছাত্রলীগ নেতারা জানান, ৭ জানুয়ারি রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বসেছিলেন সরকারি এমএ রেজা ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ আবু জাফর আশিক, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা মুন্সী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোরসালিন হাওলাদার। এসময় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত মাদবরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ঢুকে আশিক, শাহাজাদা ও মোরসালিনকে কুপিয়ে জখম করে ও ভাঙচুর চালায়। পরদিন আবু জাফর আশিক বাদি হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত মাদবরসহ মোট ৯ জনকে আসামি করে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এদিকে এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম শিকদার, বাচ্চু বেপারী ও প্রতীক নামের তিন আসামিকে গ্রেফতার করে।এছাড়া শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকায় উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা প্রান্ত মাদবরসহ ৭ ছাত্রলীগ নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অশ্রæ হাওলাদার বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। দ্রæত সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন হিরু বলেন, যারা এই হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগের নেতাদের কুপিয়ে জখম করেছে ও পার্টি অফিস ভাঙচুর চালিয়েছে তারা বিএনপির মদদপুষ্ট। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসন এখন পর্যন্ত মূল আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই দ্রæত সময়ের মধ্যে এ ঘটনার সকল আসামিদের গ্রেফতার করা হোক।
জানতে চাইলে ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু মাল বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।