জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাও ইউনিয়নের পাপরাইল গ্রামে জমি জমা বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে ঢুকে বোমা হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।পুলিশ বলছে মামলার তদন্ত চলছে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভেদরগঞ্জ থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাও ইউনিয়নের পাপরাইল গ্রামের মরহুম সেকান্দর আলমের ছেলে রনি বেপারীর সাথে একই গ্রামের প্রতিবেশী আক্কাছ সরদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে আক্কাছ সরদার ও আল মামুন সরদার রনি বেপারীর মা সালমা বেগমের সাথে তর্ক বিতর্ক করে। এ সময় আক্কাছ ও তার ছেলে মামুন হুমকি দিয়ে বলে তোর ছেলে রনিকে দেখে দিব। এরপর ঐ দিন রাত অনুমান ১১টায় আক্কাছ সরদারের নেতৃত্বে তার ছেলে আল মামুন সরদার, বিপ্লব সরদার, সোহেল সরদার, পপু ,হারুন, ফন্নু, মিন্টু, মিজান,রেজাউল,সহ ১০/১২ জন লোক ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রনি বেপারীর বাড়িতে ঢুকে ককটেলের বিস্ফোরন ঘটিয়ে আতংক সৃস্টি করেছে। হামলাকারীরা রনির বসত ঘরে বোমা হামলা করে দরজা জানার গ্লাস ভাংচুর করে। ককটেল বোমার শব্দ শুনে রনির মা সালমা বেগম ভয়ে ও আতংকে বেহুশ হয়ে যায়। এ সময় রনি বেপারী বাড়ির বাইরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে রনি বেপারী বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামী করে বুধবার দুপুরে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে রনি বেপারী বলেন, জমি জমা বিরোধের জের ধরে আক্কাছ সরদার তার ছেলে আল মামুন সরদার, বিপ্লব সরদার, সোহেল সরদার, পপু ,হারুন, ফন্নু, মিন্টু, মিজান,রেজাউল,সহ ১০/১২ জন লোক ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে ককটেলের বিস্ফোরন ঘটিয়ে আতংক সৃস্টি করেছে। দরজা জানালা ভাংচুর করেছে। আমি তখন বাড়ি ছিলাম না। আমাকে পেলে তারা বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটাতে পারত। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।
আক্কাছ সরদার কে তার মোবাইলে বার বার ফোন করলে ও সে রিসিভ করেননি।
ভেদরগঞ্জ থানার ওসি বাহালুল খান বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা তদন্ত চলছে।সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।