শরীয়তপুরের ৩০ গ্রামে আজ ঈদ অনুুিষ্ঠত

শরীয়তপুরের ৩০ গ্রামে আজ ঈদ অনুুিষ্ঠত

সুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা শরীয়তপুর জেলার ৪ উপজেলার ৩০ টি গ্রামে আজ বুধবার ঈদুল ফিতর পালন করেছেন। একই সাথে সুরেশ্বরের ভক্ত ও মুরিদদের ঈদজামাত অনুষ্ঠিত হয় সদর উপজেলার বাঘিয়া প্রেমতলা আবদুল আলী চেীকিদারের বাড়ীতে।
সুরেশ্বর পীরের দরবার সুত্র জানায়, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে প্রায় শত বছরের ও বেশী সময় ধরে সুরেশ্বর পীরের সকল ভক্ত ও তাদের মুরিদানেরা একই নিয়মে ঈদ উৎসব পালন করে আসছেন। নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, চন্ডিপুর, ইছাপাশা, থিরাপাড়া, ঘড়িষার, কদমতলী, নিথীরা, মানাখানা, নশাসন, ভুমখারা, ভোজেশ্বর, সদর উপজেলার বাঘিয়া , কোটাপাড়া, বালাখানা, প্রেমতলা, ডোমসার, শৌলপাড়া, জাজিরা উপজেলার কালাইখার কান্দি, মাদবর কান্দি, ভেদরগঞ্জ উপজেলার লাকার্তা, পাপরাইল ও চরাঞ্চলের ১০টি গ্রাম সহ প্রায় ৩০টি গ্রামের অন্তত এক হাজার পরিবারে ১০ হাজারের ও বেশী নারী পুরুষ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় সুরেশ্বর দরবার শরীফে ঈদের জামাত শেষে সেমাই পোলাও খেয়ে ঈদুল ফিতর পালন করেন। সুরেশ্বর দরবার শরীফে ঈদুল ফিতর নামাজে ঈমামতি করেন মুত্তালি সৈয়দ বেলাল নুরী। মুনাজাত করেন সৈয়দ কামাল নুরী। এ দিকে সুরেশ্বও পীরের ভক্ত ও অনুসারী বাঘিয়া প্রেমতলা এলাকার আবদুল আলমি চৌকিদার এর বাড়িতে ও সকাল ১০টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে কমপক্ষে ১২০/১৩০ জন নারী পুরুষ জামাতের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। এ খানে ঈমামতি করেন মাওলানা নুরহোসেন । মুনাজাত করেন সুরেশ্বরের ভক্ত ও মুরিদ আবদুল আলী চৌকিদার।
এ ব্যাপারে সুরেশ্বরের ভক্ত ও মুরিদ আবদুল আলী চৌকিদার বলেন, আমরা সুরেশ্বর দরবার শরীফের নির্দেশনায় তাদের সাথে মিল রেখে ১দিন পূর্বেই ঈদ উৎসর পালন করলাম।

সুরেশ্বর পীরের বর্তমান গদিনীশীন মুত্তাওয়ালী সৈয়দ কামাল নুরী বলেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ আমরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে নামাজ শেষে ঈদের উৎসব পালন করে আসছি। এর ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুর জেলার ৩০ টি গ্রামের অন্তত ১০ হাজার মুরিদ নারী পুরুষ আমাদের সাথে বুধবার ঈদুল ফিতর পালন করছেন। একই সাথে তারা ঈদের নামাজ আদায় করছেন।

Leave a Reply