শরীয়তপুরে আদালতের আদেশ অমান্য করে এক প্রতিবন্ধী পরিবারের জমি জবর দখল ও ঘর ভেঙ্গে মালামাল লুটপাটের অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারে কাছে বিচার দাবী করেছেন।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার ৬০নং পালং মৌজার বি আর এস ৪৬৭ খতিয়ানের ৩১০২ নং দাগের ২৯.৯৯ শতাংশ জমির উপর বিদ্যমান টিনের দোকান ঘর উত্তোলন করে সরকারের খাজনা পরিশোধ করে পালং এলাকার মরহুম সিরাজুল হক কোতোয়ালের স্ত্রী কামরুন্নাহার ও তার একমাত্র প্রতিবন্ধী ছেলে শামীম হোসেন টিটু কোতোয়াল নিজ নামে রেকর্ড করে দোকান পাট দিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করে আসছেন।এমতবস্থায় শরীয়তপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও শরীয়তপুর পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন মিয়া ও তার সহযোগী রবিন কর্মকার রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল হক ঢালির নিকট থেকে টাকার বিনিময় কতেক ভুয়া ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ১১ আগষ্ট শুক্রবার কাক ডাকা ভোরে কাউকে না জানিয়ে জোর পূর্বক ৩টি দোকান ঘর ভাংচুর করে নিয়ে যায় এবং বিরোধীয় জমি জবর দখল করে মালামাল লুটপাট করে নেয়। যার ক্ষতির পরিমাণ অন্তঃত ৭ থেকে ৮ কোটি টাকা হবে। খবর পেয়ে জমির মালিক কামরুন্নাহার ও তার প্রতিবন্ধী ছেলে টিটু কোতোয়াল বাধা দিলে তাদের বাধা উপেক্ষা করে দোকান পাট ভাংচুর করে দোকানে থাকা মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। পুলিশ
খবর দিলে সেখানে যাওয়ার পরে তারাও এ বিষয়ে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলে তার অভিযোগ। গত ১৪ অগষ্ট টিটু কোতোয়াল বাদী হয়ে শরীয়তপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদীর অভিযোগ শুনে মামলাটি শরীয়তপুরের পিবিআইকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু জাহাঙ্গীর কোন কিছু তেয়াক্কা না করে অবিরাম তার কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার সরকারের কাছে এর সুবিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তার পালং এলাকায় তার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ কথা গুলো লিখিত ভাবে পেশ করেছেন । এ সময় জমির মূল মালিক কামরুন্নাহার বেগম ও তার ছেলে শামীম হোসেন টিটু কোতোয়াল উপস্থিত ছিলেন ।