ভেদরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর আতœহত্যা
ভেদরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর আতœহত্যা খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় কালাম ভূঁইয়া (৩৫) নামে এক কাঠমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে।বুধবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সখিপুর থানার চরভাগা ইউনিয়নের পূর্ব মৃধা কান্দি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। কালাম ওই এলাকার মৃত মনতা ভূঁইয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৭বছর পূর্বে কালাম ভূঁইয়ার সঙ্গে একই এলাকার জুলিয়া আক্তারের সঙ্গে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। কয়েক মাস আগে একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে কালামের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারীকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন কালাম। তবে বিয়ের পর থেকেই দ্বিতীয় স্ত্রী তার বাবাবাড়ি নড়িয়া এলাকায় থাকতেন। কিছুদিন ধরে কালাম তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসার কথা প্রথম স্ত্রীকে জানান। এ নিয়ে দ’ুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে সোমবার প্রথম স্ত্রী জুলিয়া রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে যান। বুধবার ভোরে বাড়ির লোকজন কালামের ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকতে দেখে ডাকাডাকি করতে থাকেন। কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকলে কালামকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখেন। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জান শরীফ মাঝি বলেন, আগের সংসার নিয়ে ওরা ভালোই ছিল। স্ত্রী ও খুব ভালো মানুষ ছিলেন। পরে প্রেম করে আরেকজনের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন কালাম। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি শুরু হয়। কয়েকদিন আগে প্রথম স্ত্রী ও বাবাবাড়ি চলে যায় শুনেছি। খবর পেলাম কালাম নাকি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।
এ বিষয়ে সখিপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে কালাম নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানতে পেরেছি পারিবারিক কলহের কারণে কালাম আত্মহত্যা করেছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।