শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আলাউলপুর এলাকার একটি মাছের খামারে ফাঁদে প্রায় ৮ ফুট লম্বা একটি কুমির ধরা পড়েছে। আলাওলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওসমান গনি বেপারী জানান, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে মাছ খেতে এসে আলাওলপুর ইউনিয়নের পাজালকান্দি এলাকার একটি মাছের খামারে পাতা ফাঁদে কুমিরটি আটকা পড়ে। খামারটির মালিক আব্দুল খলিল কাজি। সম্প্রতি তার মাছের খামারের পাড়ে গর্ত দেখে সেখানে কুমির আসে বলে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। পরে ফাঁদ পেতে কুমিরটি ধরে। কুমিরটি প্রায় ৮ ফুট লম্বা।ধারনা করা হচ্ছে যেহেতু কুমিরটি নোনা জলের। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সুন্দরবন থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে চলে এসেছে। এছাড়া খাবারের কারণেও আসতে পারে। আমরা কুমিরটি খুলনার বনবিভাগের বয়রা রেস্কিউ সেন্টারে নিয়ে যাবো। সেখানে কুমিরটির চিকিৎসা দেবো। পরে সুন্দরবন করমজলে রেয়ারিং সেন্টারে কুমিরটি অবমুক্ত করবো।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. সানাউল্লাহ পাটোয়ারী বলেন, যেহেতু কোস্টার লাইনের সঙ্গে মেঘনা মোহনার নদীর সম্পৃক্ততা আছে, সে কারণেই কুমিরটি এখানে চলে আসছে। এসব কুমির সবসময় পানিতে থাকে না। কুমিরটি যেখানে আসছে সেখানে তো বনজঙ্গল নাই। তাই গর্ত করে থাকতে চেয়েছে। আমরা কুমিরটি খুলনার বনবিভাগের বয়রা রেস্কিউ সেন্টারে নিয়ে যাবো। সেখানে কুমিরটির চিকিৎসা দেবো। পরে সুন্দরবন করমজলে রেয়ারিং সেন্টারে কুমিরটি অবমুক্ত করবো।
এ সময় গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফি বিন কবিরসহ জেলা বনবিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।