শরীয়তপুর জেলা আইনজীবি সমিতির টাকা আতœসাৎকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে মানববন্ধন, সাধারন আইনজীীবদের উপর  হামলা

শরীয়তপুর জেলা আইনজীবি সমিতির টাকা আতœসাৎকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে মানববন্ধন, সাধারন আইনজীীবদের উপর হামলা


শরীয়তপুর জেলা আইনজীবি সমিতির টাকা আতœসাৎকারী বর্তমান ও সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে আইনী প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে রোববার সকাল ১০টায় শরীয়তপুর জেলা আইজীবি সমিতির সামনে জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারন সদস্যদের ব্যানারে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। ঘন্টা ব্যাপাী এ মানববন্ধনে ভুক্তভোগী আইনজীীগন বক্তব্য দানকালে জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এড.জহিরুল ইসলাম এর পক্ষ নিয়ে কতিপয় আইনজীবি ও বহিরাগতরা মানববন্ধনকারী আইনজীবিদের উপর নগ্ন হামলা করে। এ সময় একজন জুনিয়র আইনজীবির গায়ে হাত দেয়। এ নিয়ে উভয় গ্রæপের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। উভয় পক্ষের আইনজীবিদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এড.জহিরুল ইসলামের সমর্থক আইনজীবিদের দাবী মানববন্ধনের সকল আইনজীবিদেরকে দাওয়াত করা হয়নি। এ ছাড়া সাবেক সভাপতি এড. জহিরুল ইসলাম আইনজীবিদের এফডিআর এর ১ কোটি ৯২ লাখ টাকা সহ আইনজীবিদের বিভিন্ন খাতের আয়ের টাকা আতœসাৎ এর সাথে জড়িত নয়। এ টাকা বর্তমান
সভাপতি আতœসাৎ করেছে বলে নিজে স্বীকার করেছেন। এরপরে কেন সাবেক সভাপতি এড জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবসস্থা নেয়ার দাবী করা হয়।
উল্লেখ্য যে, গত ২৪ এপ্রিল ও্র ১০ মে পর পর দুটি সভায় বর্তমান জেলা আইনজীীব সমিতির কার্যনির্বাহী ও সাধারন সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে অভিযুক্ত সাবেক সভাপতি এড জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান সভাপতির এড. আবু সাঈদ এর সাধারন সদস পদ স্থগিত ও তাদের দুজনের চেম্বার বরাদ্দ বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে এড. জহিরুল ইসলাম বার কাউন্সিলে আবেদনের প্রেক্ষিতে বার কাউন্সিল আগামী ১৫ দিরে মধ্যে বর্তমান কমিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন এবং ঐ দুটি সভার দ্ধিান্ত সমূহ স্থগিত করেন। এ সংক্্রান্তের চিঠি শরীয়তপুর জেলা আইনজীবি সমিতিতে জমা দেয়া হলে সাধারন আইনজীবিগন আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মানববন্ধনের কর্মসূচী গ্রহন করেন। মানববন্ধনের পর জেলা আইনজীবি সমিতির ভিতরে উভয় পক্ষের আইনজীবিগন তাৎক্ষনিক আলোচনায় বসলে থেমে থেমে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে পালং মডেল থানার পুলিশ এসে সমিতির ভিতরে অবস্থান নেয়। পরে তাদেরকে বের করে দীর্ঘ সময় আইনজীবি গন পরবর্তী সিদ্ধানের বিষয়ে আলোচনা করে বেলা ১২টায় সভা মুলতবি করেন।
এ বিষয়ে জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি অভিযুক্ত আইনজীবি এড. জহিরুল ইসলাম বলেন, কতিপয় আইনজীবি বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করছে। সাধারন আইজীীবদের মধ্যে কয়েকজন জানতে চেয়েছে তাদের না জানিয়ে কেন মানববন্ধন করা হয়েছে। আমি একটি রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত । তাই তারা আমাকে হেয় করার জন্য তারা এ কাজটি করেছে।টাকা আতœসাতের ব্যাপারে এড আবু সাঈদ দায় স্বীকার করেছে। কিছু টাকা জমা ও করেছে। আমি এ ঘটনায় জড়িত নয়।
এড. মুরাদ হোসেন মুন্সি বলেন, আমাদের জেলা আইনজীবি সমিতির এফডিআর এর টাকা সহ বিভিন্ন খাতের টাকা আতœসাৎ করায় আমরা মানববন্ধন করছি। কতিপয় আইনজীবি ও তাদের সমর্থক লোক মানববন্ধন কালে আমাদের উপর হামলা করেছে। এতে বেশ কয়েকজন সাধারন আইনজীবি আহত হয়েছেন।
জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারন সম্পাদক এড. তাজুল ইসলাম বলেন, জেলা আইনজীবি সমিতির টাকা আতœসাৎকারীদের বিরুদ্ধে সাধারন আইনজীীবগন মানববন্ধন কালে এড জহিরুল ইসলামের সমর্থক কতিপয় আইনজীবি ও বহিরাগতরা সাধারন আইনজীবিদের উপর হামলা করছে। এতে সাধারন আইনজীীদের কয়েকজন আহত হয়েছে। আমি এঘটনার তীূব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

Leave a Reply