আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০


শরীয়তপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে প্রায় ১০ জন আহত হয়। আজ বুধবার দুপুর ১২ দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।এ সময় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি চাপাতি জব্দ করে পালং মডেল থানার পুলিশ।
কলেজ সূত্র জানায়, বুধবার একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রথম ক্লাসের দিন ছিল । তিনটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিচিতিমূলক ক্লাস করছিলেন শিক্ষকেরা। তখন ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছিলেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। দুপুর ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। দুই পক্ষই চাইনিজ কুড়াল, রামদা, চাপাতি ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে । সংঘর্ষে স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাজন আকন, মিজানুর রহমান, সজীব মোল্ল্যা, আরাফাত রহমান, স্নাতক পাস কোর্সের শিক্ষার্থী কাজী সুজন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিনহাজ হোসেন আহত হয়েছেন।
ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, গত বছর মে মাসে ছাত্রলীগের নেতারা এক শিক্ষককে মারধর করেন। ওই ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ থানায় মামলা করে। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর নতুন কমিটিতে স্থান পেতে বিরোধে জড়ায় দুই পক্ষ। এক পক্ষের নেতৃত্বে আছেন জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মহসিন মাদবর এবং আপর পক্ষকে নেতৃত্ব আছেন যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান।
জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মহসিন মাদবর বলেন, কলেজে ওরিয়েন্টেশনে ছাত্রদলের লোকজন কলেজে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা করছিলেন। তখন ছাত্রলীগের ছেলেরা তাঁদের ধাওয়া করেছেন। এরপর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এর বেশি কিছু না।
জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান বলেন, ছাত্রলীগে কোনো গ্রুপিং নেই। কলেজের ঘটনায় বিএনপির লোকজন ও কিছু বহিরাগত জড়িত। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের ছেলেরা মার খেয়েছেন।

Leave a Reply