শরীয়তপুরে বিসিক ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ সহ গ্রেফতার

শরীয়তপুরে বিসিক ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ সহ গ্রেফতার


শরীয়তপুর বিসিক শিল্প নগরীর ম্যানেজার(ডিএম) মোঃ মনির হোসেন কে বৃহসপতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় ৫০ হাজার টাকার উৎকোচ সহ হানোতে গ্রেফতার করেছে দুদক মাদারীপুর। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
জানাগেছে ২০০৯ সালে সদর উপজেলার চিকন্দি ইউনিয়নের দক্ষিন কেবল নগর এলাকার জনৈক আবুল কালাম ঢালি বিসিক শরীয়তপুরের ৭/এ ৪ হাজার ৫০০ ফিট এর একটি প্লট ব্যবসা করতে বরাদ্দ নেয়। পরবর্তীকালে সেই লোকটি প্রবাসে (ওমানে) থাকার কারনে তার এক আতœীয় এসকেন্দার আলী ঢালীকে এফিডেভিট এর মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করে । পরবর্তীতে বিসিক তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার চাপ প্রয়োগ করে। নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে আবুল কাল ঢালি বা তার আতœীয় এসকেন্দার ঢালি মেসার্স ঢালি মিনারেল ওয়াটার উৎপাদনের শতানুযায়ী ব্যবসা চালু করতে পারেনি।এরপর বিসিক এ প্লটের চুক্তি বাতিল করে দেয়। এ সময় এসকেন্দার ঢালি বিসিক চেয়ারম্যান বরাবরে প্লট পুনরায় পাওয়ার জন্য আবেদন করলে চেয়ারম্যান প্লট বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেন।এরপর এসকেন্দার ঢালি ব্যবসার উপখাত পরিবর্তন করে মেসার্স বাংলাদেশ হারবাল এন্ড স্পাইসেস প্রোডাক্ট নামে ব্যবসার নাম করন করে শরীয়তপুর বিসিক ম্যানেজারের (ডিএম)নিকট আবেদন করেন। উক্ত আবেদন পত্রটি বিসিক চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরন করতে বিসিক ম্যানেজার (ডিএম)মনির হোসেন এসকেন্দার ঢালির নিকট ১লাখ ২৫ হাজার টাকা উৎকোচ দাবী করেন। এরমধ্যে ৪৭ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। এরপর আরো ৫০ হাজার টাকা চায় ।এসকেন্দার টাকা দিতে গড়িমসি করলে সে বলে টাকা না দিলে কাগজ পাঠানো হবেনা। এদিকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে খাত পরিবর্তন করতে না পারলে প্লট পুনরায় বাতিল হবে।উপায়ান্ত না পেয়ে ভুক্তভোগী এসকেন্দার দুদক মাদারীপুর যোগাযোগ করেন। তাদের পরামর্শ নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের সূত্রধরে দুদকের উপপরিচালক মোঃ আতিকুর রহমান একটি টীম সহ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় শরীয়তপুর বিসিকে ফাঁদ পেতে ৫০ হাজার ঘুষের টাকা সহ বিসিক ম্যানেজার (ডিএম)মনির হোসেন কে গ্রেফতার করে।
উল্লেখ থাকে যে মনির হোসেন কে ইতোমধে গত ৩০ মার্চ বরগুনা জেলায় বদলী করা হয়েছে। সে রিলিজ ও হয়ে গেছে। কেবল এ টাকার জন্য যায়নি।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী এসকেন্দার ঢালি বলেন, আমার কাছে মনির হোসেন ১লাখ ২৫ হাজার টাকা ঘুষ চেয়ে ৪৭ হাজার টাকা নিয়েছে। আজকে ৫০হাজার টাকা দেয়ার পর দুদক তাকে টাকা সহ আটক করেছে।
দুদক মাদারীপুরের উপপরিচালক মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর আবেদনের সূত্র ধরে একটি ফাঁদ পেতে (ডিএম)মনির হোসেনকে তার কার্যালয় থেকে নগদ ৫০হাজার ঘুষের টাকা সহ আটক করেছি। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

Leave a Reply